নবীন,নোয়াখালী প্রতিনিধি:নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নে (৬৫) এক ব্যক্তির করোনা পজিটিভ এসেছে। এনিয়ে জেলায় ৬জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে মারা গেছেন ২জন।মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি থেকে নমুনার রিপোর্টটি আসে।

তিনি বলেন, গত ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের (৬৫) ওই ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এরআগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য কর্মী পাঠিয়ে ওই ব্যক্তিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। তখন তার সর্দি, জ্বর ও হালকা কাশি ছিল। আগে তিনি মাইক্রোবাসের চালক ছিলেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে তাবলীগ জামাতের সদস্যদের সাথে বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে থাকতেন তিনি।

ডা. অসীম কুমার দাস আরও বলেন, নমুনা সংগ্রহের পর থেকে ওই বাড়ীর প্রায় ৩৫টি পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শনাক্ত হওয়া রোগীর বাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম পাঠানো হচ্ছে। বুধবার সকালে ওই ব্যক্তির পরিবারের অপর সদস্যসহ তার সংস্পর্শে আসা সকলের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। রোগীর শারীরিক অবস্থা দেখে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

নোয়াখালীতে আরও এক ব্যক্তির করোনা শনাক্ত

নবীন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ   

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে অজ্ঞাত (৩২) এক মাটি কাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৪এপ্রিল) রাতের যে কোনো সময় ওই ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের ভূঁইয়া বাড়ি সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘরে তার মৃত্যু হয়। এ সময় তার সাথে থাকা সঙ্গীরা মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়।

শনিবার (২৫এপ্রিল) নমুনা সংগ্রহ শেষে বিকালে বিশেষ ব্যবস্থায় মরদেহের দাফন সম্পন্ন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

নিহত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি জেলার হাতিয়া উপজেলায়। তিনিসহ ১০-১২জন শ্রমিক গত কিছুদিন পর্যন্ত ডুমুরুয়ার ভূইয়া বাড়ির মাটি কাটার কাজ করছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মারা যাওয়া ওই ব্যক্তিসহ ১০-১২জন শ্রমিক মাটিকাটার কাজ করতেন। তারা সবাই এক সঙ্গে ভূইয়া বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির একটি ঘরে থাকতেন। গত দুইদিন ধরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পরপরই তার সঙ্গে থাকা সঙ্গীরা পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে শনিবার মৃত ব্যক্তির করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের বিআইটিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। পরে বিকালে উপজেলা মরদেহ সৎকার কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দাফন করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার ফলাফল জানার পর এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

নোয়াখালীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু, মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় সঙ্গীরা

ফেসবুকে আমরা