ডেস্ক রিপোর্ট::মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করার দাবি জানানোর কয়েক ঘণ্টার মাথায় ফের বড় ধরনের ধাক্কা খেল ওয়াশিংটন। শুক্রবার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের অত্যাধুনিক ও নববিকশিত বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে মধ্য ইরানে আরও একটি মার্কিন ‘স্টিলথ এফ-৩৫’ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। লেকেনহিথ স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত এই যুদ্ধবিমানটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি এমনভাবে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে যে এর পাইলটের পরিণতি সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এর আগে, শুক্রবার সকালেই পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপের দক্ষিণে আরেকটি উন্নতমানের মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা জানায় আইআরজিসি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উন্নত প্রযুক্তির রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়ার পর বিমানটি হেনগাম ও কেশম দ্বীপের মধ্যবর্তী পারস্য উপসাগরের গভীর জলসীমায় আছড়ে পড়ে। এই সফল অভিযানের পর আইআরজিসি সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি যে ডাহা মিথ্যা তা এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল। ইরানের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর আধুনিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই অপারেশন পরিচালনা করা হয়। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য আকাশপথে ক্ষয়ক্ষতির তালিকাটি ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। এর আগে গত ১১ মার্চ মধ্য ইরানের আকাশসীমায় প্রথম একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আক্রান্ত হয়েছিল। সে সময় মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জরুরি অবতরণের কথা বললেও পরবর্তীতে এনপিআরের প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই বিমানটি অদূর ভবিষ্যতে আর উড্ডয়ন সক্ষমতা ফিরে পাবে না। চলমান এই উত্তেজনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইরান দাবি করেছে যে তারা মোট দুটি এফ-৩৫, একটি এফ-১৮, দুটি এফ-১৬ এবং চারটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এদিকে পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি এফ-১৫ এবং একটি কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান হারানোর কথা স্বীকার করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ক্ষয়ক্ষতি আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞের মতে, মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাদের অত্যাধুনিক স্টিলথ বিমানের ধ্বংস হওয়ার খবর গোপন করতে প্রায়ই সেগুলোকে ‘বন্ধুভাবাপন্ন পক্ষের গুলিতে ভূপাতিত’ বা ‘যান্ত্রিক দুর্ঘটনা’ হিসেবে প্রচার করছে। এমনকি সম্প্রতি নেভাদায় একটি এফ-৩৫ বিধ্বস্ত হওয়ার যে খবর যুক্তরাষ্ট্র প্রচার করেছে, সেটিকেও ইরানের যুদ্ধে হারানো বিমানের আসল খবর ধামাচাপা দেওয়ার একটি অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক সমর বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: প্রেস টিভি
এর আগে, শুক্রবার সকালেই পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপের দক্ষিণে আরেকটি উন্নতমানের মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা জানায় আইআরজিসি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উন্নত প্রযুক্তির রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়ার পর বিমানটি হেনগাম ও কেশম দ্বীপের মধ্যবর্তী পারস্য উপসাগরের গভীর জলসীমায় আছড়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য আকাশপথে ক্ষয়ক্ষতির তালিকাটি ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। এর আগে গত ১১ মার্চ মধ্য ইরানের আকাশসীমায় প্রথম একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আক্রান্ত হয়েছিল। সে সময় মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জরুরি অবতরণের কথা বললেও পরবর্তীতে এনপিআরের প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই বিমানটি অদূর ভবিষ্যতে আর উড্ডয়ন সক্ষমতা ফিরে পাবে না।
Your email address will not be published. Required fields are marked *
Comment
Name *
Email *
Website
Leave a Reply