বিশ্বকাপ শুরুর আগে ডান পায়ের কাফে চোট নিয়ে দলে যোগ দিয়েছিলেন নেইমার। তাই গ্রুপ পর্বে তাকে খুব সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দিকে মাঠে নামলেও জাপানের বিপক্ষে তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল। সে সময় আনচেলত্তি জানিয়েছিলেন, ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে নেইমারকে খেলানোর পরিকল্পনা ছিল।
তবে নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে ইতালিয়ান এই কোচ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নেইমারের ফিটনেস নিয়ে এখন আর কোনো শঙ্কা নেই। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, নেইমার পুরো ৯০ মিনিট খেলতে প্রস্তুত।”
আনচেলত্তি আরও জানান, বেঞ্চে বসে থাকতে নেইমারের ভালো লাগে না। তবে তিনি সবসময় দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন এবং অনুশীলনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দেন। সতীর্থদের সঙ্গে তার সম্পর্কও দারুণ বলে উল্লেখ করেন ব্রাজিল কোচ।
শুরুর একাদশে খেলার জন্য নেইমার কখনো সরাসরি চাপ দেন না বলেও জানান আনচেলত্তি। তার ভাষায়, বিশ্বমানের ফুটবলারদের সবারই মাঠে নামার তীব্র ইচ্ছা থাকে, আর নেইমারের মধ্যেও সেই জয়ের ক্ষুধা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
Leave a Reply