নবীগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছা*ত্রীকে ধ*র্ষ*ণের অ’ভিযোগ, এক অভিযুক্ত জনতার হাতে আ’টক

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি::হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছা’ত্রীকে ধ*-র্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই ব’খাটে যুবকের বি’রুদ্ধে। এ ঘটনায় একজনকে আ’টক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। অন্য অ’ভিযুক্ত পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার বিকেলে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে শি’শুটি গ্রামের একটি দোকানে যাওয়ার পথে অ’ভিযুক্তরা তাকে জো’রপূর্বক পাশের একটি বাঁশঝাড়ের নি’র্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধ*-র্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।
শি*শুটির চি*ৎকার শুনে আশপাশের কয়েকজন লোক এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে র*ক্তা*ক্ত অবস্থায় তাকে উ*দ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল।পরদিন সোমবার দুপুরে শি*শুটির বাবা-মা তাকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে তার শা*রীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, অ’ভিযুক্তদের একজন বড়চর গ্রামের মৃত কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া। ঘটনার পর সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পাশ্ববর্তী বাহুবল উপজেলার দ্বিগম্বর বাজার এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আ’টক করে। পরে তাকে বড়চর গ্রামে নিয়ে আসা হলে সেখানে কয়েক হাজার মানুষ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বি’ক্ষোভ মিছিল করেন।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোনায়েম মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উ’ত্তেজিত জনতাকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
একপর্যায়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে জনতা আ’টক ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।পরে পুলিশ একটি পিকআপ ভ্যানে করে আফরোজ মিয়াকে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি থানা হেফাজতে ছিলেন।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোনায়েম মিয়া বলেন,ভিকটিমের বাবাকে খবর দেওয়া হয়েছে। তিনি এলে মা’মলা নেওয়া হবে। আ’টক আফরোজ মিয়া বর্তমানে আমাদের হেফাজতে রয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষো’ভ ও উ’ত্তেজনা বিরাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা