নবীগঞ্জে এসএসসি পাসের হার ৪৬.৫৬।জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন; ভোকেশনালে পাসের হার ৩৮.৪৬ শতাংশ

ডেস্ক রিপোর্ট ::

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার এসএসসি ২০২৩ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, উপজেলার ২০টি বিদ্যালয়ে সাধারণ বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ৫২১ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ১৭৪ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন। এতে সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৬.৫৬ শতাংশ।
এছাড়া ভোকেশনাল বিভাগে ৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন; এ বিভাগে পাসের হার ৩৮.৪৬ শতাংশ।
বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফলে নবীগঞ্জ জে.কে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৭৮.১৮ শতাংশ, হিরামিয়া গার্লস হাই স্কুলের ৬৩.৩৩ শতাংশ, হোমল্যান্ড আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ৮১.৫৮ শতাংশ, রাজরানী সুভায়িনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৪ শতাংশ, হযরত শাহ তাজউদ্দিন কোরেশী (র.) উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৩.৩৩ শতাংশ, হাজী আজব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৮.৬২ শতাংশ, আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের ৪০.১১ শতাংশ, সৈয়দ আজিজ হাবিব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৬.৮৩ শতাংশ, ঘোলডুবা মান্নান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৪০ শতাংশ এবং মতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৬.৪৩ শতাংশ।
এদিকে দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৪৪.৫০ শতাংশ, রাগীব রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৬.৫৮ শতাংশ, ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬.৪০ শতাংশ, শরচ্চন্দ্র নন্দলাল পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৫০.৬৭ শতাংশ, বিবিয়ানা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৯.৫১ শতাংশ, বনকাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৭.৫৩ শতাংশ, নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৩.৬৬ শতাংশ, দীঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৯.৫০ শতাংশ, বাগাউড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩১.৭৮ শতাংশ এবং গোপলার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩১.১৭ শতাংশ।
 প্রকাশিত ফলাফলে সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে হোমল্যান্ড আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটিতে ৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬২ জন পাস করেছে এবং ১৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
অন্যদিকে তুলনামূলক কম পাসের হার দেখা গেছে গোপলার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়, বাগাউড়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং হযরত শাহ তাজউদ্দিন কোরেশী (র.) উচ্চ বিদ্যালয়ে।
নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এসএসসি পরীক্ষার এ ফলাফল আমাদের জন্য যেমন মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনি শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন করে কাজ করার বার্তাও দিয়েছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফল প্রত্যাশার তুলনায় কম, সেগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগামী বছর আরও ভালো ফল অর্জন সম্ভব বলে আমরা আশা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা