ডেস্ক রিপোর্ট: সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত একটি হাতিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সুলতান আহমদ।

তিনি জানান, দুর্ঘটনায় হাতিটির মেরুদণ্ড ও পায়ে মারাত্মক আঘাত লেগেছিল। সিকৃবি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তার শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে রক্ষা করা যায়নি।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাতে। দক্ষিণ সুরমা এলাকায় রেললাইনের পাশে কলাগাছ খাচ্ছিল হাতিটি। এ সময় ট্রেনের হুইসেল শুনে আতঙ্কিত হয়ে হাতিটি পাশের একটি ডোবায় পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর পুরো রাত প্রায় ১৪ ঘণ্টা হাতিটি ওই ডোবায় পড়ে ছিল।

রোববার বিকেলে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের আলমপুর স্টেশনের একটি দল, পুলিশ এবং বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দীর্ঘ ও কঠিন প্রচেষ্টার পর বিকেল ৩টার দিকে হাতিটিকে ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার শেষে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, নিহত হাতিটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ছিল। মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা থেকে সিলেটে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভাড়ায় আনা হয়েছিল হাতিটিকে।

সিকৃবি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার-পরবর্তী সময়ে হাতিটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বিশেষ তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছিল। তবে গুরুতর আঘাতের কারণে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে হাতিটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

দক্ষিণ সুরমায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতিটির মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট ::রাজধানীর উত্তরায় একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

প্রথমে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করে। এ ঘটনায় ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়া অন্তত ১৩ জনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

নিহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে। তবে তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, ভবনের ভেতরে বিপুল পরিমাণ আসবাব ও দাহ্য সামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক ত্রুটিকে আগুন লাগার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

সকাল সাড়ে আটটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং প্রায় ১০টার দিকে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

উত্তরায় ছয়তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ড: প্রাণহানি বেড়ে ৬

ফেসবুকে আমরা